হাফিজ শিহাব উদ্দিন ফরহাদ
আব্বাজান শায়খ আবদুল মুমিন পাকিস্তানি রাহ. দেশের বড় বড় মাদরাসায় ইহতেমামি ও তালিমী খিদমত করার পর জীবনের শেষ দিকে ২০১৪ ঈসায়ী সালে আমেরিকায় পাড়ি জমান। আমার মেজো দুলাভাই মাওলানা আবু জাহিদ সাহেব তখন নিউইয়র্ক দারুল উলূমে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে খেদমতে ছিলেন। তিনি দারুল উলূম কর্তৃপক্ষকে আব্বাজানের এখানে আসার কথা জানালেন। আব্বাজানসহ বাংলাদেশের প্রথিতযশা আরও দুইজন আলেম গাছবাড়ি কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবদুর রহীম ও রামধা মাদরাসার সানী শায়খুল হাদীস মাওলানা আজীজুর রহমান ঘোগারকুলী সাহেবান আমেরিকায় চলে আসেন। নিউয়র্ক দারুল উলূম মাদরাসা তখন ছিলো মিশকাত জামাত পর্যন্ত। দাওরায়ে হাদীসের জামাত ছিল না। মিশকাত জামাত পড়ে তালিবুল ইলমরা সাউথ আফ্রিকায় দাওরায়ে হাদিসের জামাত পড়তে চলে যেত। সেখানে শিক্ষাজীবন কমপ্লিট করত। কিন্তু ভিসাজনিত সমস্যার দরুণ সে বছর দারুল উলূম নিউইয়র্কের ছাত্ররা সাউথ আফ্রিকায় যেতে পারেনি।
ইত্যবসরে তিনজন প্রথিতযশা আলেমের আগমনে দারুল উলূম কর্তৃপক্ষ খুবই খুশী হলো। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিলেন এই তিনজনকে দিয়েই দাওরায়ে হাদীসের জামাত উদ্বোধন করবেন। কিন্তু ছাত্ররা তো মিশকাত জামাত পড়েই অন্যান্য দেশে পড়তে যাওয়ার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। ছাত্রদের বেশিরভাগই ছিলো সিলেটী। তখন আব্বাজান ছাত্রদের বুঝানোর দায়িত্ব নিলেন। তাদের বললেন- এটা তোমাদের মাদরে ইলমি। আর এখানে তোমাদের দিয়েই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ দাওরায়ে হাদীসের জামাত শুরু করার চিন্তা-ভাবনা করছেন। এটা তোমাদের জন্যে কতইনা সৌভাগ্যের বিষয়। আব্বাজানের এই দরদমাখা কথাশুনে তারা প্রভাবিত হলো। ছাত্রদের রাজি করিয়ে তিনি তাদের পরিবারের সঙ্গেও আলাপ করলেন। আল-হামদুলিল্লাহ সকলে বিনাবাক্যে তাঁর কথাকে মেনে নিলো এবং তাদের দিয়েই নিউইয়র্ক দারুল উলূমে দাওরায়ে হাদীসের শুভসূচনা হয়। আব্বাজানের এই অসাধারণ হিম্মতের দরুণই নিউইয়র্ক দারুল উলূমে দাওরায়ে হাদীসের শুভসূচনা হয়েছিলো।
আব্বাজানের প্রস্তাবনায় মাওলানা আবদুর রহীম সাহেবক বুখারি আওয়াল, মাওলানা আজীজুর রহমান ঘোগারকুলী সাহেবকে বুখারি সানী এবং তাঁর জিম্মায় মুসলিম আওয়াল ও সুনানে আবু দাউদ অন্তর্ভুক্ত করে দেন। অথচ শায়খ আবদুল মুমিন ছিলেন একজন উচ্চমানের আলিম। দেশ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে ১ম স্থান অধিকার করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। শায়খে আওয়াল হিসেবে দারসে হাদীসের মসনদে বসার পুরোপুরি যোগ্যতা তাঁর মাঝে ছিল। কিন্তু তিনি এমন এক চরিত্রের মানুষ ছিলেন—যিনি নিজেকে ছোট করে অন্যকে বড় করে তুলে ধরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। নিউইয়র্ক দারুল উলূমে তিনি এর বাস্তব প্রমাণ দেখিয়েছেন।
এই তিন প্রথিতযশা মুহাদ্দিস যখন দারুল উলূমের দারসে হাদীসের মসনদে আসীন হলেন, তখন ছাত্ররা ছাতক পাখির মত হুমড়ি খেয়ে এসে এখানে জমায়েত হতে থাকে। তাঁদের যবান মুবারক থেকে উলূমে নববীর ছড়িয়ে থাকা মণিমুক্তা কুড়িয়ে নিতে থাকে। ইলম এবং আমলের পরিবেশে নিজেদের যুক্ত রাখার চেষ্টা করতে থাকে। তাঁদের সুহবতে থেকে নিজেদের জীবনকে সাজাতে থাকে।
আব্বাজান মাদরাসা পরিচালনায় খুব সিদ্ধহস্ত ছিলেন। শিক্ষকতার প্রথমে দারস ও তাদরীসে মনোযোগী হলেও বড়দের নির্দেশ পালনার্থে বিভিন্ন সময় অনেক বড় বড় মাদরাসায় ইহতেমামির দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। তখন দারস ও তাদরিসে তেমন সময় দিতে পারতেন না। নানা ব্যস্ততায় তা হয়ে উঠতো না। তাঁর প্রিয় উস্তায শায়খুল হাদীস আবদুল মুসাব্বির আইয়রী হাফিজাহুল্লাহর কাছে একদিন অনুযোগের স্বরে বলেছিলেন—
“হযরত! জীবনের বড় একটি স্বপ্ন ছিল ইলমে হাদীসের খিদমতে থেকে জীবন কাটানোর। কিন্তু ইহতেমামির দায়িত্বে থাকায় সে স্বপ্নটি আর পূরণ হলো না।”
তখন তাঁর এ কথার উত্তরে উস্তায আইয়রী বলেছিলেন—
“ইনশাআল্লাহ তোমার এ স্বপ্ন একদিন পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে। ইলমে হাদীসের মসনদে বসে দারস ও তাদরিস প্রদান করে মুহাদ্দিস হিসেবে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে।” সত্যি সত্যিই তাঁর প্রিয় এই উস্তাযের কথা বাস্তবে রূপ নিল। তিনি দারুল উলূম নিউইয়র্কের মুহাদ্দিস হিসেবেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন।
আমেরিকার জমিনে এখন যে পরিমাণ মসজিদ আছে, তিনি এখানে আসার আগে সে পরিমাণ ছিল না। তিনি শুধু দারুল উলূমের খিদমতের জন্যে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ২৫০টি মসজিদ ভিজিট করেছিলেন। তিনি দারুল উলূমে হাদীসের পাশাপাশি ইলমে তাফসীরেরও বিভিন্ন কিতাব পড়িয়েছেন। মহিলা শাখায় হাদীসের বিভিন্ন কিতাবের দারস প্রদান করেছেন। দারুল উলূমের খাতাপত্রে তিনি “মুহাদ্দিস” হিসেবে বরিত ছিলেন। ইন্তেকালের পরও তাঁকে এ সম্মানেই স্মরণ করা হয়।
তিনি দারুল উলূমের মুহাদ্দিস ছিলেন কিন্তু কাজকর্মে ছিলেন মুহতামিম। সেখানের মুহতামিম ও নাজিমে তা’লিমাত থাকা সত্ত্বেও তিনি ছিলেন তাদের মধ্যমণি, পরামর্শদাতা ও প্রধান উপদেষ্টা। মাদরাসার সার্বিক উন্নতি ও অগ্রগতির লক্ষ্যে তিনি যে সুচিন্তিত পরামর্শ দিতেন—সকলেই তা বিনা বাক্য ব্যয়ে মেনে নিতেন।
দারুল উলূমে মাওলানা আবদুর রহীম সাহেব, মাওলানা আজীজুর রহমান সাহেব ও আব্বাজান মাওলানা আবদুল মুমিন সাহেব—এই তিন মনীষাকে মুহাদ্দিস অভিধায় অভিষিক্ত করা হতো। দারুল উলূমের বাইরেও লোকেরা আব্বাজানকে মুহাদ্দিস হিসেবে ডাকতো।
তিনি দারুল উলূমে দাওরায়ে হাদীসের শিক্ষার্থীদের জিম্মাদার ছিলেন। তাদের তারবিয়াতের প্রতি লক্ষ্য রাখতেন। সুন্নাহসম্মত জীবন গঠনের তাকিদ দিতেন। দারস ও তাদরিসের পাশাপাশি ছাত্রদের নিয়ে জমাতবদ্ধ হয়ে দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতে বের হতেন। নিউইয়র্কের বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে দাওয়াতি কাজ করতেন। পথভোলা মানুষদের সুন্দর দ্বীনের পথে আনতে ফিকির করতেন।
দারুল উলূম নিউইয়র্কে শুধুমাত্র হাদীস ও তাফসীর নয়, জুমুআবারে বিভিন্ন মসজিদে খতীব হিসেবে কুরআন ও হাদীসের আলোকে বয়ান করতেন। ধর্মপ্রাণ মানুষদের পথ নির্দেশনা দিতেন। মাদরাসার প্রয়োজনে বিশ্রামকে পিছনে ফেলে দূরদূরান্ত সফর করতেন, ফাণ্ড সংগ্রহ করতেন। যেখানেই যেতেন, সেখানকার লোকেরা তাঁর হাতে মন খুলে দান করতেন—আর তিনি অত্যন্ত আমানতদারিতার সাথে তা মাদরাসা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতেন।
একটি ঘটনা না বললে নয়। তিনি খুব মিশুক ছিলেন। অল্প সময়ে সহজে মানুষের সঙ্গে মিশে যেতেন। তিনি বাঙালি হলেও উর্দু-আরবি ভালো জানতেন, ইংরেজীতেও মোটামুটি ছিলেন। আমেরিকার বিভিন্ন শহরে মাদরাসার কালেকশনে পাকিস্তানীদের সঙ্গে তাঁর বেশ ভাব জমতো, তারা মন খুলে দান-সাদকাহ করতো।
একবার সফরে থাকা অবস্থায় দেশের বাড়ি থেকে খবর এল—তাঁর সম্মানিতা আম্মার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ, হয়তো বেশিদিন আর বাঁচবেন না। তিনি খবর শুনে বিচলিত না হয়ে সেখান থেকেই দুআ করতে থাকেন। সফরে থাকাবস্থায়ই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ তাকে স্বসম্মানে টিকিটের ব্যবস্থা করে দেশে পাঠায়। তিনি দেশে এসে মায়ের খিদমতে সময় দেন, চিকিৎসা করান, দুআ করেন। মা সুস্থ হয়ে গেলে তিনি আবার আমেরিকা ফিরে আসেন।
দেশ থেকে ফেরার আট মাসের মাথায় আল্লাহ তাঁকে নিজের মেহমান করে নিলেন। মায়ের অসুস্থতার খবর পাওয়া, দেশে যাওয়া, সবার সাথে দেখা করা—সবই ছিল কাকতালীয়, আর এটিই ছিল সকলের সাথে তাঁর শেষ সাক্ষাৎ। আব্বা মিজাজ ছিল অত্যন্ত উন্নত। তাঁর মত ফিকিরওয়ালা মানুষ পাওয়া খুবই মুশকিল।
আব্বাজান শুধু একজন উঁচু-মাপের আলিম ছিলেন না, ছিলেন একজন বিজ্ঞ ন্যায়বিচারক, দক্ষ সালিসি ব্যক্তিত্ব। দেশে আসার পর অনেক অমীমাংসিত বিচার-সালিস নিজ বাড়িতে বসেই এক দিনে শেষ করে দিতেন। মানুষের আস্থা ছিল—তিনি এলে সুবিচার মিলবে। তাঁর সিদ্ধান্ত সকলে একবাক্যে মেনে নিত।
সত্যকে সত্য বলা যখন কঠিন হয়ে উঠে, তখন একজন আলিম-বিচারক ন্যায়বিচারের উজ্জ্বল প্রদীপ হয়ে আবির্ভূত হন। তিনি শুধু আইন জানেন না, জানেন মানুষের অন্তরের ভাষা, জানেন দয়া, ন্যায়, সততা ও মানবিকতার প্রকৃত মূল্য। তাঁর বিচারপ্রক্রিয়া ছিল পক্ষপাতশূন্য, সহমর্মিতাপূর্ণ। দুর্বল ব্যক্তিও তাঁর সামনে নিরাপদ বোধ করতো।
একজন আলিম-বিচারকের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর চরিত্র। তাকওয়ার আলো তাঁর চোখে জ্বলজ্বলে, আচরণে ফুটে উঠতো ইসলামের সৌন্দর্য। তিনি মানুষের মাঝে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতেন, সমাজে শান্তি, নৈতিকতা ও ভ্রাতৃত্বের বীজ বপন করতেন।
আব্বাজান ছিলেন বিনয়ী চরিত্রের মানুষ। তাঁর ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠার জন্যে কখনো কোনো পাবলিসিটির প্রয়োজন হয়নি। তিনি সকল কাজের কাজি হয়েও কাউকে তা বুঝতে দিতেন না। তিনি ছিলেন দারুল উলূম করাচীর ইফতাকোর্সের কীর্তিমান ছাত্র। মুফতিয়ে আজম আল্লামা মুফতি রাফি উসমানীর স্নেহধন্য শাগরিদ; আল্লামা সলিমুল্লাহ খান রাহ.’র সান্নিধ্য সৌরভে সুরভিত ফুল।
কিন্তু এতসব কৃতিত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজেকে লুকিয়ে রাখতেন। কখনো আত্মপ্রশংসার ঢেকুর দিতেন না। তিনি ছিলেন একজন বিজ্ঞ মুফতি, কিন্তু নামের সঙ্গে কখনো "মুফতি" টাইটেল লাগাননি। কেউই জানতো না তাঁর এই লুকানো যোগ্যতার কথা।
তিনি অনেক জটিল ও কঠিন ফিকহি মাসআলার তাৎক্ষণিক জবাব দিতে পারতেন। একবার আমেরিকার মিশিগানে জায়গা-জমি সংক্রান্ত একটি জটিল মাসআলার সুন্দর সমাধান দেন। লোকজন আশ্চর্য হয়ে বলেন—
“মুহাদ্দিস সাব তো মুফতি নন; তাহলে এত সুন্দর সমাধান কীভাবে দিলেন?”
তখন থেকেই তাঁর ইলমের গভীরতা সবাই অনুভব করতে পেরেছিল।
এ প্রসঙ্গে আমার একটি মজার ঘটনা—
আমার আব্বা আমেরিকা আসার পরও জামিয়া হুসাইনিয়া আরাবিয়া রানাপিংয়ের মুহতামিম ছিলেন। আমি তখন সেখানে ছাত্র। দেয়ালে বার্ষিক জলসার পোস্টারে “মাওলানা আবদুল মুমিন” লেখা ছিল। আমি কলম দিয়ে “মুফতি” লিখে দিই। ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম মাওলানা ফারুক আহমদ সাহেব আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করেন—“তোমার আব্বা কি মুফতি?” আমি বলি জানি না। পরে সত্যিই জানতে পারলাম তিনি প্রকৃত অর্থে একজন বিজ্ঞ মুফতি ছিলেন।
আব্বা তাঁর আসাতিজায়ে কেরামের খুব সম্মান করতেন। তাঁদের মন থেকে মুহাব্বত করতেন, খিদমত করতেন। বাজার সদাই করে দিতেন। তাঁদের অনেকে এখনো স্মরণ করেন এবং তাঁর জন্য দুআ করেন।
খ্যাতিমান মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান সাঈদ নিউইয়র্ক সফরে এসে বলেছিলেন— করাচিতে তিনি আমার এক বছরের সিনিয়র ছিলেন। তিনি ছিলেন আল্লামা রফি উসমানীর বিশেষ শাগরিদ, আর আমি তাকী উসমানীর। আমি তাঁকে বলেছিলাম—আব্বা সলিমুল্লাহ খানের ইন্তেকালের খবর শুনে খুব কেঁদেছিলেন। তখন মিজানুর রহমান সাঈদ উত্তরে বলেন—
“তখন তো তিনি জীবিত ছিলেন! রফি উসমানীর ইন্তেকালের খবর শুনলে কী করতেন—তা অনুমেয়।”
কিন্তু তাঁর আগেই আব্বা ইন্তেকাল করেন।
আব্বা ইন্তেকালের চার মাস আগে পেটব্যথা অনুভব করেন। খাওয়া-দাওয়া কমে যায়। ডাক্তার কিছুই ধরতে পারেনি। অথচ তিনি দারস ও তাদরিস পুরো যুবকের মতো করতেন। ইন্তেকালের তিন মাস আগে ডাক্তার জানান—তাঁর চূড়ান্ত পর্যায়ের ক্যান্সার হয়েছে! ডাক্তার আমাদের এ আশঙ্কারও খবর দিয়েছেন যে, হয়তো দুই তিন সপ্তাহের পর বড় কোনো দুঃসংবাদ আমাদের শুনতে হবে। কিন্তু আল্লাহ পাক তাঁর কুদরতি প্রক্রিয়ায় তিন মাস তাঁকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দ্বীনের খেদমতে লাগিয়ে রেখেছিলেন।
অতঃপর তাঁর দরবারে ডেকে নিলেন—
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।
দারুল উলূম নিউইয়র্কে প্রায় তিন বছর হাদীসের খিদমত করতে করতেই তাঁর দুনিয়ার সফরের অবসান হয়। আল্লাহ তাঁর ইলমি এ খিদমতগুলোকে কবুল করুন। সর্বোপরি তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচ্চাসনে আসীন করুন। আমীন।
লেখক
হযরতের তৃতীয় ছেলে। শিক্ষক- দারুল উলুম নিউইয়র্ক।

Comments
Post a Comment